প্রবাস মেলা ডেস্ক: জঙ্গলমহল উদ্যোগের ব্যবস্থাপনায় এবং মানভূম লোক সংস্কৃতি কেন্দ্রের সহযোগিতায় ৩০ জুলাই ২০২৩, রবিবার পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ায় সবুজ গ্রাম সহায়ক বিদ্যালয় তথা মানভূম লোক সংস্কৃতি কেন্দ্রে বাংলা ভাষার জনক দয়ার সাগর বিদ্যাসাগরের আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন এবং বিদ্যাসাগর সম্পর্কিত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত সভায় বাংলা ও ঝাড়খণ্ডের বিশিষ্ট বিদ্যাসাগর গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বিদ্যাসাগর গবেষক, বীরসিংহ হরগোবিন্দ দলুই, বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজসেবী ডা. অমিতাভ চট্টরাজ, বিশিষ্ট সাহিত্যিক ড. প্রসেনজিৎ সরকার, ডি.জি.এম, ডি.ভি.সি. অংশুমান মন্ডল, শান্তিপুর সাহিত্যিক পরিষদের সভাপতি সুশান্ত মঠ, রঘুনাথপুর মহকুমা তথ্য আধিকারিক সায়ন ঘোষ, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক সুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, বর্ধমান পুরাতত্ত্ব পরিষদের সম্পাদক ড. বর্বজিৎ যশ, কাশীপুর মাইকেল মধুসূদন দত্ত মহাবিদ্যালয় এর অধ্যক্ষ বিভাসকান্তি মন্ডল, কবি ও গল্পকার দেবাশিস সরখেল, সাহিত্যিক সুখেন্দু হীরা, কবি ও প্রাবন্ধিক রাজীব ঘাঁটি, রাঢ় কথা’র সম্পাদক কিশোর কুমার দাস, বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক তুলসী দাস মাইতি, নন্দনকানন পরিচালন সমিতি, কর্মাট্যাঁড় এর সভাপতি দেবাশিস মিশ্র, গভঃ স্পনসর্ড শিক্ষক শিক্ষণ মহাবিদ্যালয়, পুরুলিয়া’র শিক্ষক সঞ্জয় অধিকারী, পুথি গবেষক ড. শ্যামল বেরা।

অনুষ্ঠানটি আয়োজনে ছিলেন জঙ্গলমহল উদ্যোগ এর সভাপতি সুরজিৎ সেনগুপ্ত, সহ-সভাপতি প্রদুৎ দেবনাথ, সম্পাদক প্রিয়ব্রত বেরা, সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা রীতা চক্রবর্তী, পুরুলিয়া জেলা কমিটির সভাপতি ড. সুভাষ রায়, সম্পাদক ড. দয়াময় রায়।
অনুষ্ঠান আয়োজনমালায় ছিলো সকাল ৭টায় প্রভাতফেরী, সকাল ৯টায় আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন ও বৃক্ষরোপণ ও সকাল ১০টায় আলোচনা ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক কর্মসূচী।

আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে রীতা চক্রবর্তী জানান, বিদ্যাসাগরের চারিত্রিক ও ব্যক্তিত্ব সাহিত্যে তার অবদান, স্ত্রী শিক্ষার প্রসারে, উপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে তার ভূমিকা, বিধবা বিবাহের প্রবর্তনায় কেবলমাত্র শাস্ত্র বিচার করে নয়, পিছনে ছিল করুণার মমতার ফল্গু ধারা। বিদ্যাসাগর হিসাবে আজও সবার কাছে সমান ভাবে গৌরব উজ্জ্বল। আজও বর্ণপরিচয়, কথামালা, বোধোদয়, শকুন্তলা বই মানুষের কাছে প্রাসঙ্গিক।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করার জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান রীতা চক্রবর্তী।