জয়দীপ চট্টোপাধ্যায়, কোলকাতা, ভারত প্রতিনিধি: ১৪ই নভেম্বর ২০২২ সন্ধ্যায় বিশ্বসংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র কলকাতার রবীন্দ্রসদনে ঐকতান অস্ট্রেলিয়ার প্রথম বার্ষিক গুণীজন সম্মাননা উৎসব ২০২২ এর আয়োজনের বর্ণময় উপস্থাপনা ও তার নির্মল পরিসমাপ্তি ঘটল। বিভিন্ন অঞ্চলের এবং দূর দেশ থেকে আগত গুণীজনের উপস্থিতিতে শুভ সূচনা হয় উক্ত অনুষ্ঠানের। মঞ্চে তখন উপস্থিত আমাদের সকলের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত মানুষ, ঐকতান অস্ট্রেলিয়ার কর্ণধার সুপ্রিয়া দেবী সাহার মা তথা আমাদের সকলের মা আশালতা সাহা।

মঞ্চটি আলোয় আলোকময় আমন্ত্রিত বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক গুণীজনের নান্দনিক উপস্থিতিতে। ছিলেন ড. পবিত্র সরকার, কৃষ্ণা বসু, অরুণ চক্রবর্তী, সৈয়দ হাসমত জালাল, পঙ্কজ সাহা, সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়, পৃথ্বীরাজ সেন, কল্যাণ সেনবরাট, সন্দীপক মল্লিক, ড. মাখনলাল সাহা, বরুণ চক্রবর্তী, ভাস্কর রায়, স্বপন সেন, পার্থসারথি ঝা, জয়শ্রী সাহা প্রমুখ বাংলার সংস্কৃতি জগৎ তথা অন্যান্য জগতের উজ্জ্বল দিশারীগণ।

এছাড়া ছিলেন নিগমানন্দ মণ্ডল, কর্ণধার- আনন্দ প্রকাশন, অঞ্জল চট্টোপাধ্যায়,প্রতিমা সাহা প্রমুখ। সর্ব প্রথম মঞ্চে তিনটি দেশের জাতীয় সঙ্গীত তৎসহ জাতীয় পতাকা চিত্রায়ন এবং তারপরে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, বিশিষ্টজনদের সংবর্ধনা, দেবী সাহা রচিত ‘জননী স্বর্গাদপি গরিয়সী’ গ্রন্থ প্রকাশ। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক এবং তারা টিভির কর্ণধার শ্রী দীপঙ্কর নাগ যিনি তাঁর জন্মদিনের শুভক্ষণে বিশেষ সম্বর্ধিত হলেন। সকল মঞ্চস্থ গুণীজনের পক্ষ থেকে মাননীয় পবিত্র সরকার শুভেচ্ছাবার্তা জ্ঞাপন করেন। স্বাগত ভাষণ দেন কবি জয়দীপ চট্টোপাধ্যায়। এক আসাধারণ সুরেলা কণ্ঠে সঙ্গীত পরিবেশন করে সুমধুর আবেশে সকলের মন জয় করে নেন বাংলাদেশ থেকে আগত বিশিষ্ট শিল্পী আয়েশা জেবীন দিপা। বিশিষ্ট বাচিকশিল্পী আশীষ ঘোষের উদাত্ত কণ্ঠের আবৃত্তি উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে।

এছাড়া নৃত্যে ড. ফাল্গুনী ভট্টাচার্যের উপস্থাপনা বিশেষ উল্লেখ্য। আরো একজন শিল্পী আবিষ্ট করেছেন তাঁর মুক্ত কণ্ঠের সঙ্গীতে-দৃষ্টিহীন প্রতিভাধর নবীনবাবু।

বিগত এক বছরের বেশি সময় ‘ঐকতান অস্ট্রেলিয়া’র ফেসবুক পেজে অংশগ্রহণকারী সকল আমন্ত্রিত গুণীজনকে সংবর্ধনা প্রদানে মঞ্চ আলোকিত হয়। সবশেষে সংবর্ধিত হন আয়োজনের কারিগরগণ- বিশিষ্ট কবি জয়দীপ চট্টোপাধ্যায়, আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা, বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী আশীষ ঘোষ, উপদেষ্টা, ভারত এবং যাঁদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রমে সমগ্র অনুষ্ঠানটির সঠিক রূপায়ণ সম্ভব হয়েছে সর্ব-শ্রীময়ী দীপশিখা চৌধুরী, ড. তৃপ্তি কুন্ডু রায়, শাশ্বতী বন্দ্যোপাধ্যায়, অনন্যা চক্রবর্তী, রঞ্জনা কর্মকার, প্রজ্ঞা পারমিতা প্রমুখ।

এছাড়াও যাঁদের নেপথ্য ভূমিকা ব্যতীত এই আয়োজন অসম্পূর্ণ হতো তাঁরা হলেন স্কাউটসের সকল ভাইবোনেরা আর কয়েকজন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক কর্মী, যাঁরা মঞ্চের নেপথ্যে নিরলস সহযোগিতা করেছেন। সামগ্রিক আয়োজনের মূল আয়োজক ও বিশ্ববাংলার মিলনের দূত অস্ট্রেলিয়া নিবাসী এবং ঐকতান অস্ট্রেলিয়ার কর্ণধার শ্রীমতী দেবী সাহা।