অসীম বিকাশ বড়ুয়া, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে: অবশেষে দীর্ঘ প্রায় দুই বছর নিষেধাজ্ঞার কবলে আটকে থাকার পর ২২ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার রাত ৯ টার ফ্লাইটে ৬৬ জন বাংলাদেশি ইপিএস কর্মী দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।
জানা যায়, কোরিয়ান জিন এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে করে ১৮ জন নতুন ইপিএস কর্মী এবং ৪৮ জন কমিটি এন্ট্রি কর্মী দক্ষিণ কোরিয়া তে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। তবে এর আগে চলতি মাসের ৮ ডিসেম্বর রাত ৯ টা ৩৫ মিনিটে FJ702 নং চাটার্ড ফ্লাইটে বাংলাদেশ থেকে ৪৫ জন জেনারেল ইপিএস কর্মী নিয়ে প্রথম ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছিল। তাই আটকে পড়া রিএন্ট্রি কমিটেড কর্মীদের প্রথম ফ্লাইট এটি।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কমিটির সহ জেনারেল কর্মীদের সাতদিনের হোটেল কোয়ারান্টাইন শেষ হয়েছে। জেনারেল কর্মীদের থেকে শেষবারের মতো পিসিআর টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সকলের করোনা টেস্ট রেজাল্ট নেগেটিভ হওয়ায় ফ্লাইটের জন্য চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এদিকে বুধবার বিকেলে হোটেল বাসে করে কর্মীদের বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছে নির্ধারিত হোটেল কর্তৃপক্ষ। অতঃপর বোয়েসেলের সার্বিক পরিচালনা ও নিবিড় তত্ত্বাবধানে রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে ইপিএস কর্মীদের বহুল প্রতীক্ষিত LJ702 নং চাটার্ড ফ্লাইটটি দক্ষিণ কোরিয়ার আন্তর্জাতিক ইনছন বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যাবে। উল্লেখ্য বুধবার রাত আনুমানিক ভোর পাঁচটায় বিমানটি দক্ষিণ কোরিয়ার ইনছন বিমানবন্দরে পৌঁছাবে।
বোয়েসেল কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করছেন, দক্ষিণ কোরিয়াগামী ইপিএস কর্মীসহ সকল বাংলাদেশিরা যদি এভাবে আমাদের নির্দেশনা অনুযায়ী সংগ নানিরোধ সম্পন্ন করে এবং কেউ কোনো রকম খাদ্য সামগ্রী বহন না করে তাহলে নতুন বছরের আগামী দিনগুলো ইপিএস কর্মী তথা বাংলাদেশিদের জন্য সৌভাগ্য বয়ে নিয়ে আসবে এবং প্রতি ফ্লাইটে আমাদের ইপিএস কর্মী সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকবে।
দীর্ঘ বিরতির পর স্বপ্নের দক্ষিণ কোরিয়া যাত্রা সফল হতে চলেছে এ বিষয়ে আজকের ফ্লাইটে দক্ষিণ কোরিয়াগামী বাংলাদেশ ইপিএস কর্মী ইয়াসির হামিদ কাউসার বলেন, আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানিতে এই পর্যন্ত আসতে পারলাম। বাকি পথ আল্লাহর জিম্মায়।
এ বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সচেতনতা অবলম্বনের অনুরোধ জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং বাংলাদেশী কমিউনিটি।