নিউইয়র্ক থেকে হাকিকুল ইসলাম খোকন, অটোয়া থেকে আজিজুল হক, লন্ডন থেকে নাজিম চৌধূরী, অষ্ট্রিয়া থেকে বুলবুল তালুকদার, সিঙ্গাপুর থেকে মহসীন মালহার , জাপান থেকে মাসুম জাকির ও প্যারিস থেকে কালাম ফরাজী: নভেল করোনা ভাইরাস তথা ‘কোভিড-১৯’ এর প্রাদুর্ভাবে বিশ্বের প্রায় সকল দেশ আতঙ্কিত। বিশ্বময় টালমাটাল অবস্থা বিরাজ করছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে শ্রম বিনিয়োগ করে রেমিট্যান্স প্রেরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে সচল ও সমৃদ্ধ করার জন্য প্রাণপণ লড়াই করে চলেছেন। ’কোভিড-১৯’ মহামারীতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশ থেকে প্রেরিত জনশক্তিকে দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে পাঠিয়ে দেয়ার খবরও শোনা যাচ্ছে। যার দরুণ অনেক পরিবার ও দেশ মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রাখাত থেকে বঞ্চিত হবে। এমতাবস্থায়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ এ মৃত প্রবাসীদের পরিবার বা স্বজনদের সরকার সামগ্রিক সহায়তা প্রদান করবে। সর্বোপরি ইতিমধ্যেই যে সমস্ত প্রবাসীগণ কর্মহীন ও মানবেতর জীবনযাপন করছেন তাদেরকে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর দূতাবাসের মাধ্যমে সরাসরি সহযোগীতার বিষয়টিও মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছেন। সাংবাদিকদের সরাসরি সাহায্য প্রদানের বিষয়টির খোঁজখবরও নিতে বলেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী মহোদয়।

অদূর ভবিষ্যতে দেশে অবস্থানরত বা আগত প্রবাসীদের কল্যাণে ফেরত আসা প্রবাসীদের জীবনযাত্রার চাকাকে সচল রাখার অনুপ্রেরণা যোগাতে ঋণ সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে বলে জানা যায়। যদি এ ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়-তাহলে ভবিষ্যতে তা প্রবাসীদের মহাদূর্দিনে সামান্যতম হলেও বেঁচে থাকার অবলম্বন হিসাবে সহায়তা করবে বলে বিশেষজ্ঞ মহল মনে করেন। প্রবাসী কল্যাণ ও
বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে প্রবাসীদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘কানেক্ট বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনালে’র নেতৃবৃন্দ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। প্রবাসবান্ধব হিসেবে আগামীর দিনগুলোতেও প্রবাসীদের স্বার্থ ও অধিকার সংরক্ষণে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবেন বলে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।