রফিক আহমদ খান, কুয়ালালামপুর, মালয়েশিয়া: কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়েছে। ১৭ মার্চ রোববার দিনের কার্যসূচির শুরুতেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মহ. শহীদুল ইসলাম। এরপর পুস্পস্তবক অর্পণ করে মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটি, ছাত্রলীগ মালয়েশিয়া শাখা, জাতীয় শ্রমিকলীগ মালয়েশিয়া শাখা, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা অ্যাসোসিয়েশন, গোপালগঞ্জ জেলা সমিতিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয় পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও মোনাজাতের মাধ্যমে। পরে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।
দূতাবাসের শ্রম শাখার দ্বিতীয় সচিব ফরিদ আহমেদর পরিচালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন দেশটিতে নিযুক্ত হাইকমিশনার মহ. শহীদুল ইসলাম।
দিবসটির ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রদূত প্রথমেই শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধু তাঁর সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছিলেন বাংলাদেশের মানুষকে একটি শোষণহীন, সুখী ও সমৃদ্ধ জীবন উপহার দিতে। শত জুলুম, অত্যাচার ও অবিচার কোন কিছুই তাঁকে তাঁর লক্ষ্য হতে বিচ্যূত করতে পারেনি।”
অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের নিয়ে হাইকমিশনার শহীদুল ইসলাম বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের কেট কাটেন। অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক শিশু চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীর মধ্যে সেরা তিনজন বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারি, প্রবাসী ব্যবসায়ী, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।