প্রবাস মেলা ডেস্ক: করোনা বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে কানাডায় ট্রাকচালকদের টানা বিক্ষোভের জেরে এবার অন্টারিও প্রদেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার দাবিতে ফ্রান্সে ‘ফ্রিডম কনভয়’ ব্যানারে চলমান বিক্ষোভ দমনে মোতায়েন করা হয়েছে কয়েক হাজার পুলিশ। আর বিক্ষোভকারীদের প্যারিসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
করোনার বিধিনিষেধ জারি করা ও বাধ্যতামূলক টিকা গ্রহণের বিরুদ্ধে এখনো উত্তাল কানাডা। ট্রাকচালকদের অব্যাহত বিক্ষোভের মুখে স্থানীয় সময় ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, শুক্রবার অন্টারিও প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বিক্ষোভ করা সম্পূর্ণ অবৈধ। এমন আদেশের পরও ট্রাকচালকরা এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখলে জরিমানা এবং এক বছরের সাজা ভোগ করতে হতে পারে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত, বিমানবন্দর, প্রধান মহাসড়ক এবং জনগণের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করলে তাদের জন্য এই আদেশ প্রযোজ্য হবে বলে জানান তিনি। এমনকি চালকদের লাইসেন্স বাতিলেরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, তবে প্রশাসনের এমন হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করেই বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন ট্রাকচালকরা। দাবি না মানা পর্যন্ত তা চলবে বলে আবারও জানিয়েছেন তারা।
করোনা বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে ফ্রান্সেও । বিক্ষোভ দমনে রাজধানী প্যারিসে শুক্রবার কয়েক হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, সঙ্গে আছে অত্যাধুনিক আর্মার্ড ভেহিকেল। পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের প্যারিস প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তাদের থামাতে শহরের প্রবেশপথে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট।
তবে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা মানতে নারাজ বিক্ষোভকারীরা। ‘ফ্রিডম কনভয়’ ব্যানারে কয়েক হাজার গাড়ি নিয়ে তারা চলেছেন প্যারিসের দিকে। তাদের দাবি, তুলে নিতে হবে করোনার সব বিধিনিষেধ।