মহুয়া পৈত, কোলকাতা, ভারত:
ভাবতে ভাবতে রাত ফুরিয়ে আসে
আলো আঁধারির জ্যামিতিক নকশা
কাটাকুটি খেলে পলেস্তারা ওঠা দেওয়ালে।
মৈথুনরত ভাবনারা মেখলার ছায়ায় খুঁজে ফেরে নীলমণি লতার ফুল।
ভুলে গেছি তার ঠোঁট শেষ কবে ছুঁয়েছিল চাতকের কপাল,
চুনবালি ঝরে পড়ার সাথে ঝরে গেছে সেই পৌরাণিক সময়।
দূরে বিশ্বভারতীর উপাসনা গৃহে প্রার্থনার সুরেরা চন্দ্রাহত প্রলাপের অনুরণন ছড়িয়ে দেয় অতসীর বৃন্তে।
উত্তরের ছায়াপথে ক্যাসোপিয়া মুচকি হেসে বিভল দৃষ্টি হানে তপস্যারত সপ্তর্ষিমণ্ডলের দিকে আর মুহুর্তে উদযাপন হয় ব্রহ্মচর্যের।
সেই ব্রাহ্মমুহূর্তে অরুন্ধতীর উন্মুক্ত কাঁখে ওষ্ঠের লালিমায় আচমন সারে বশিষ্ঠ।
পেগাসসের বৃহৎ চতুর্ভুজ ঘুড়ি হয়ে এন্ড্রমিডা আর পারসুসের অবৈধ প্রেমকাহিনী ছড়িয়ে দেয় আকাশগঙ্গার বুকে।
রাত ভোর হবার মুহূর্তে তোমার ছোঁয়ারা বালিশের আলসেতে বসে দুষ্টু হেসে পা দোলায়।
শেষ রাতের ক্লান্ত চাঁদ অপলক দৃষ্টিতে নির্বাক সাক্ষী,
তুমি কি জানো, আমার বুকেও লুকোনো আছে আস্ত এক ময়ূরাক্ষী?