প্রবাস মেলা ডেস্ক: ডিসিআই এর প্রতিষ্ঠাতা ড. এহসান হক ২২ ডিসেম্বর ২০২২ ঢাকার শেরাটন হোটেলে অনুষ্ঠিত এনআরবি পেশাদারদের সামিট -২০২২ -এ এনআরবি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২২-এ ভূষিত হয়েছেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিলেন এনআরবি ওয়াল্ড। বাংলাদেশ এবং সারা বিশ্বের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মানসম্পন্ন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং দৃষ্টি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে আজীবন উৎসর্গ এবং অঙ্গীকারের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব ইমরান আহমদ এমপি ড. এহসান হককে পুরস্কার প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সকলেই ড. এহসান হকের অসাধারণ কাজ, নিঃস্বার্থ নিবেদন এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে সাহায্য করার আবেগ দেখে মুগ্ধ হন।
অ্যাওয়ার্ড গ্রহণের সময় ড. এহসান হক বলেন, ‘এই সম্মান পেয়ে আমি সম্মানিত এবং গর্ববোধ করছি এবং দেশের উন্নয়নে এনআরবি-এর ভূমিকাকে গভীরভাবে উপলব্ধি করছি। এই স্বীকৃতি আমাদের চ্যালেঞ্জিং মিশনকে আরো কার্যকরভাবে চালিয়ে যাওয়ার শক্তি এবং অনুপ্রেরণা জোগাবে। শিশুদের সকল মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমি আমার মিশন চালিয়ে যাব। ডিসিআই এর দাতা, পৃষ্ঠপোষক, স্বেচ্ছাসেবক এবং সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা যারা আমাদের মিশনে সহায়তা করেছেন এবং বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশে আমাদের কার্যক্রম বাস্তবায়ন সম্ভব করেছেন। আমরা যে সমস্ত শিশুদের সাথে কাজ করি তাদের এবং ডিসিআই এর দাতা ও ভলান্টিয়ার সবাইকে আমি আমার এই পুরস্কারটি উৎসর্গ করেছি’।
২০০৩ সালে ড. এহসান হক দারিদ্র্য, ক্ষুধা, শিশুশ্রম এবং প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্বের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে Distressed Children & Infants International (DCI) প্রতিষ্ঠা করেন। সংস্থাটি শিশু অধিকার বিষয়ে প্রচারণা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, অন্ধত্ব প্রতিরোধ এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশু এবং তাদের পরিবারের স্বাস্থ্য ও চক্ষু সেবা প্রদানের জন্য নিবেদিত। এই পর্যন্ত সংস্থাটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের প্রায় ১০০,০০০ শিশুকে সহায়তা করেছে।
DCI-এর দুটি সাংগঠনিক লক্ষ্য রয়েছে: প্রথমত, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকারের জন্য কাজ করা এবং দ্বিতীয়ত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ এবং ভারতের যুবকদের সংগঠনের কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যুক্ত করা। ড. এহসান হকের অসামান্য নেতৃত্বে, ডিসিআই গত উনিশ বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং বর্তমানে চারটি দেশ বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল এবং নিকারাগুয়া -তে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে হাজার হাজার শিশুর উন্নয়ন উদ্যোগকে সহায়তা করছে।