আখি সীমা কাওসার, রোম, ইতালি প্রতিনিধি: ইতালিতে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পাঁচজন মৃত্যুবরণ করেছে। এতে করে করোনা ভাইরাসে শঙ্কিত হয়ে পড়েছে বহুবর্ণের দেশ ইতালি। দেশটিতে আজ সোমবার পর্যন্ত ২১৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।(তবে একটু সুখের বিষয় হল আজ পর্যন্ত এখনো কোনো বাংলাদেশি আক্রান্ত হয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়নি) ইতিমধ্যে আজকে রোমে অবস্থিত স্পাল্লাসানি (Spallazani ) হাসপাতাল থেকে একটি মেসেজ অনেকের মেসেঞ্জারে এসেছে স্পাল্লাসানি (Spallazani ) হাসপাতালে অনেকজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে, যা এখনো বাহিরে প্রকাশ পায়নি। এই করোনাভাইরাস বা কোভিড নাইনটিন মাত্র কয়েকদিনের ভেতরে ইতালির মিলান ও ভেনিস সংলগ্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেরারেল মিলান একটি জরুরী বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে লোম্বার্দি এলাকায় করোনা ভাইরাসের তীব্র সংক্রামনের প্রেক্ষাপটে অতিজরুরী বিষয় ট্রাভেল পারমিট, মৃতদেহ দেশে প্রেরণ ব্যতিত সাধারণ সেবাকার্যক্রম আপাপতত বন্ধ থাকবে। ইতালির মিলান এবং ভেনিস শহরের কাছে দুটি উত্তরাঞ্চলীয় এলাকাকে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হটস্পট বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ভেনেতো এবং লোম্বারদি অঞ্চলের একাধিক শহরে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, আগামী দু’সপ্তাহ কর্তৃপক্ষের বিশেষ অনুমতি ছাড়া কেউ সেখানে ঢুকতে বা বেরুতে পারবে না। এর আওতায় পড়বে অন্তত ৫০ হাজার লোক। বন্ধ করে দেয়া এলাকার বাইরেও বহু স্কুল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। শীর্ষস্থানীয় ফুটবল লিগ সিরি-আ’র কয়েকটি ম্যাচ সহ বেশ কিছু খেলা বাতিল করা হয়েছে। মিলান শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে একটি অঞ্চলে ভাইরাস সংক্রমণের কারণে লোকজনকে ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। ভাইরাসের কারণে ইতালি বিভিন্ন দিক থেকে ক্ষতির সম্মূখীন হওয়ার আশংকা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে অর্থনৈতিক উপার্জনের বড় একটা দিক পর্যটন শিল্প, সেখানে পর্যটক সংখ্যা অনেক কমে গেছে।