জাহাঙ্গীর আলম শিকদার, লন্ডন, যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসামান্য নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন । অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক অগ্রগতি, জলবায়ু উদ্যোগ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসামান্য নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন ব্রিটিশ মন্ত্রী ও সিনিয়র সংসদ সদস্যরা।
এ সময় তারা বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
স্বাধীনতার ৫১তম বার্ষিকী ও জাতীয় দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ মন্ত্রী-সিনিয়র সংসদ সদস্যরা এ প্রশংসা ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের জনগণ এখন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধভিত্তিক দেশের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে এবং যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের সঙ্গে একত্রে কাজ করবে। শেখ হাসিনা এমন একজন নেত্রী, যিনি গণতন্ত্রের পক্ষে এবং যারা সম্প্রদায়কে উগ্রপন্থি করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। তিনি একজন নীতিবান নেত্রী, যিনি অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র ও স্বাধীনতাকে শক্তিশালী করতে চান।
জাতির পিতা ও একাত্তরের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, ৫১ বছর আগে বঙ্গবন্ধু গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল মূল্যবোধের ভিত্তিতে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। যুক্তরাজ্য প্রথম ইউরোপীয় দেশ যারা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। ৫১ বছর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলস পরিশ্রমে বঙ্গবন্ধুর অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ অনুসরণ করে বাংলাদেশকে এশিয়ার দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করেছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ারম্যান অলিভার ডাউডেন এমপি, বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেরেমি কুইন এমপি এবং লন্ডন ও ক্ষুদ্র ব্যবসা, ভোক্তা ও শ্রমবাজারের মন্ত্রী পল স্কুলি এমপি।
এ ছাড়া জাতিসংঘ এবং কমনওয়েলথবিষয়ক মন্ত্রী লর্ড তারিক আহমেদ, শ্যাডো ফরেন সেক্রেটারি ডেভিড ল্যামি এমপি, লেবার পার্টির নেতা স্যাম টেরি এমপি এবং স্কটিশ পার্লামেন্টের সদস্য ফয়সল চৌধুরী, কমনওয়েলথ মহাসচিব আরটি প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড, ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের সেক্রেটারি জেনারেল কিট্যাক লিম, হাইকমিশনার এবং ৫০টিরও বেশি দেশের রাষ্ট্রদূত, ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাবিদ এবং ব্রিটিশ-বাংলাদেশি প্রবাসীরা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।