প্রেস রিলিজ: ভিয়েতনাম চেম্বার অফ কমার্সের আমন্ত্রণে বাংলাদেশ মেট্রোপলিট্যান চেম্বার অফ কমার্স হংকং এর ১৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল গত ১৪ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ পর্য্ন্ত ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে একটি ব্যবসায়িক সফর সম্পন্ন করেন। বাংলাদেশ মেট্রোপলিট্যান চেম্বার অফ কমার্স হংকং এর সভাপতি জনাব ফজলে আজিমের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি ভিয়েতনাম চেম্বার অফ কমার্সের সদস্য ও নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ভিয়েতনামে বাংলাদেশের ব্যবসার সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশে ভিয়েতনামের পুঁজি বিনিয়োগ সহ হংকং ও চীন দেশে ব্যবসার প্রসারের বিভিন্ন সম্ভাবনার দিক নিয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ভিয়েতনামে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মিসেস সামিনা নাজ।

ভিয়েতনাম চেম্বার অফ কমার্সের সহ সভাপতি দোয়ান ডুই খোয়াং উল্লেখ করেন যে, ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে দুই দেশের মধ্যে একটি জয়েন্ট ট্রেড কমিটি গঠন হবার পরে পারস্পারিক বাণিজ্যিক উন্নয়ন উল্লখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি জানান, ২০০২ সালে দুই দেশের লেনদেনের পরিমান ছিল মাত্র ১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০১৮ সালে তা’ বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৮ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৮১৩.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।
তিনি আরো বলেন, ২০১৯ সালের আগস্ট পর্য্ন্ত দুই দেশের লেনদেনের পরিমাণ হচ্ছে, ৫২৭.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভিয়েতনাম মূলতঃ বাংলাদেশ থেকে পোষাক, পোষাক তৈরীর উপকরণ ও ঔষধ আমদানী করে থাকে আর বাংলাদেশ ক্লিংকার, সিমেন্ট, ইস্পাত ইত্যাদি ভিয়েতনাম থেকে আমদানী করে।
ভিয়েতনামে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মিসেস সামিনা নাজ বলেন, উভয় সরকারের লক্ষ্য মাত্রা হচ্ছে ২০২০ ও ২০২১ সালে এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যক লেন-দেন সম্পন্ন করা।

বাংলাদেশ মেট্রোপলিট্যান চেম্বার অফ কমার্স হংকং এর সভাপতি জনাব ফজলে আজিম উল্লেখ করেন, উভয় পক্ষের মধ্যে অনুষ্ঠিত কর্মশালা দুই দেশের উদ্যোক্তাদের সংযুক্ত করার সাফল্য থেকে প্রতীয়মান হয় যে, বাংলাদেশের ও ভিয়েতনামের অর্থনৈতিক বন্ধন ভবিষ্যতে উন্নয়নের নতুন শিখরে উন্নীত হবার বিরাট সুযোগ ও সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে প্রতিনিধি দলটি, ব্যাংক, শিপিং, খনিজ দ্রব্য ও পোষাক শিল্পের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্ভাবনা, সুযোগ ও সম্প্রসারণ বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
(প্রেস রিলিজ)