আবুল কালাম আজাদ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া থেকে: ব্ল্যাক ফ্রাইডে মানেই হচ্ছে কেনাকাটার ধুম আর উচ্ছ্বাস। বিশেষ ছাড়ের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকে ক্রেতারা। ব্ল্যাক ফ্রাইডে নভেম্বর মাসের শেষ শুক্রবার অর্থাৎ ২৭ নভেম্বর। এ সময় গ্রাহকদের আকৃষ্ট করার জন্যই নানা রকম মূল্যছাড় দেয় ব্যবসায়ীরা।
অস্ট্রেলিয়াতে ব্ল্যাক ফ্রাইডে সময়ে বিভিন্ন শপিং মলে (Sale) সেল বা মূল্যহ্রাস ছিল। ক্রেতাদের ভীড় ছিল লক্ষ্যণীয়। শপিং কমপ্লেক্সের ফুড কোর্টগুলোও অনেক ভীড় ছিল। বেশিভাগ ক্রেতারা ভীড়ের মধ্যে নিজ চাহিদার বস্তুটি কিনতে আগেই শপিং সেন্টারে হাজির হয়ে গিয়েছিল।
ভোরবেলায় ক্রেতারা শপিং মলে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। আগে গেলে আগে পাবেন- এ ধারণা থেকে। আর এই দিনটিতে শপিং মলে কখনো কখনো বিভিন্ন রকমের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটে। তাই বর্তমান সময়ে এই ঝামেলা এড়ানোর জন্য কেউ অন লাইন শপিং করে থাকেন।
ব্ল্যাক ফ্রাইডে মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসেছে। এর নামকরণের পেছনে অনেক গল্প রয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন, ১৮৬৯ সালের দিকে আমেরিকায় ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দা চলছিল। সেই সময় মন্দা থেকে উত্তরণের জন্য একটি বিশেষ দিবসের কথা ভেবেছিলেন ব্যবসায়ীরা। ওই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর তারা পণ্যে বিশেষ ছাড় দেন। ওই ছাড়ে ব্যবসায়ীদের অনেক লস হয়। পরে দিনটি ব্ল্যাক ফ্রাইডে হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
শুক্রবার মুসলমানদের ও রবিবার খ্রিস্টানদের এবং শনিবার ইহুদিদের জন্য পবিত্র একটি দিন। শুক্রবার মুসলমানদের পবিত্র দিন বলেই কি আমেরিকানরা ‘কালো শুক্রবার’ আবিষ্কার করল? এ প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশের অন্যতম লেখক হুমায়ূন আহমেদ। আবার অনেকে মনে করে, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে শুক্রবার দিনটিতে অনেক দূর্ঘটনা ঘটেছে। তাই ব্ল্যাক ফ্রাইডে নামটি হয়ত ভিন্ন উৎস থেকেও আসতে পারে। Black Friday is an informal name.
•সতর্কীকরণ: করোনাকালীন সময়ে নিজেকে সুরক্ষিত রেখে কেনাকাটা বাঞ্ছনীয়। #ব্ল্যাক ফ্রাইডে