আনোয়ার হোসেন মামুন, কাতার প্রতিনিধি: প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ঠেকাতে ৩০ মে, ২০২০ পর্যন্ত শুধু মাত্র ফার্মেসি, সুপারমার্কেট, রেস্তোরাঁ ছাড়া সব ধরণের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে কাতার সরকার। এইদিকে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মাস শেষে সেলারি পাওয়া নিয়ে চিন্তিত প্রবাসীরা। ২০ মে, ২০২০
বুধবার নতুন করে আরও ১৪৯১ জনসহ দেশটিতে মোট ৩৭ হাজার ৯৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। কাতারে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৭০ হাজার ৪৩৭ জন মানুষের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। করোনা আক্রান্তদের মধ্যেই ৬ হাজার ৬০০ জন সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আজ আরো এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে, মৃত ব্যক্তির বাড়ী বাংলাদেশের সিলেট বলে জানা গেছে, কাতারে এ পর্যন্ত ৫ বাংলাদেশিসহ মারা গেছেন ১৬ জন।

কাতারে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি এক ইরান ফেরত কাতারি নাগরিকের শরীরে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। দেশটিতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে বন্ধ রয়েছে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। কাতারে করোনার বিস্তার ঠেকাতে সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটির সরকার, এইবার শুধু মাত্র ফার্মেসি, সুপারমার্কেট, রেস্তোরাঁ ছাড়া ৩০ মে পর্যন্ত সব ধরণের বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে কাতার সরকার। সব কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মাস শেষে সেলারি পাওয়া নিয়ে চিন্তিত প্রবাসীরা। কাতার মীরসরাই সমিতির সভাপতি নুরুল আফছার বাবুল বলেন, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে কাতার সরকারের সিদ্ধান্তকে ধন্যবাদ জানাই, তবে ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করায় আমরা ক্ষতির মুখে পড়েছি।ব্যক্তিগত গাড়িতে তিন জনের বেশি বসা যাবেনা এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে ট্যাক্সি, লিমুজিন, পারিবারিক গাড়িতে সমস্যা নেই।