এ.এস.রানা , চট্টগ্রাম: আনোয়ারায় বারশত বোয়ালিয়া গ্রামে প্রায়ই হচ্ছে চুরি।ছিচকে চুরি থেকে পুকুর চুরি হওয়া পর্যন্ত শুরু হয়েছে ইতিমধ্যে।কিন্তু চোর থেকে যাচ্ছে বরাবরই ধরা ছোয়ার বাহিরে, আসছে না আইনের আওতায়।
১৯ নভেম্বর ২০১৯ মঙ্গলবার রাতে বাড়ির সদস্যরা প্রতিদিনের ন্যায় খাওয়া সেরে যে যার মত ঘুমাতে চলে যান। ২০ নভেম্বর বুধবার ভোরে গৃহকর্তা মাওলানা শামছুল আলম সকালে উঠার পর পর দেখতে পান গেট খোলা, ঘরে ঘুরে দেখার পর দেখেন সমস্ত কিছু এলোমেলো রয়েছে, সব রুমের দরজা, আলমিরা খোলা।
এ ব্যাপারে দুবাই অবস্থানরত গৃহকর্তার ছেলে মাহবুবুল আলম তারেকে জানান, বোনের বিয়ের জন্য বড় শখ করে তৈরি করা হয়েছিল কিছু গয়না।ফাঁকা বাড়ি পেয়ে গয়না চুরি করে পালিয়েছে চোর।
তিনি হতাশ হয়ে বলেন, বাজারের পাশে বাড়ি, বাজারে ছিল নৈশ প্রহরী তারপরও কিভাবে সম্ভব! এই ব্যাপারে গৃহকর্তা আনোয়ারা থানায় একটি জিডি করেন।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানায়, ফাঁকা বাড়ি থেকে চুরি করেছে চোর । ঘটনার তদন্তে চলছে, আশাকরছি ভাল একটি ফলাফল পেতে পারি।সব জায়গায় আধুনিক কলাকৌশলে তদন্ত চালানো হচ্ছে।
গৃহকর্তা মাওলানা শামছুল আলম জানান, ঘুম থেকে ওঠাত পর সমস্ত কিছু এলোমেলো দেখা গিয়েছে ।তখনও বাসার সবাই ঘুমে ছিল।দেখতে পাই আলমারি খোলা, বেড রুমের দরজাগুলি সব খোলা।যদিও পুরাপুরি ক্ষতি এখন পর্যন্ত হিসাব নিকাশ করা যায়নি তবে প্রাথমিক ভাবে ৮ ভরি সোনা, নগদ অর্থসহ প্রায় ৬ লাখ টাকা চুরি করে নিয়ে গিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যেহেতু বাড়িটি বোয়ালিয়া মোড় বাজারের পাশে অবস্থিত সেখানে বাজার কমিটি থেকে একজন নৈশপ্রহরী রাখা হয়েছে। সে সারারাত হাটাহাটি করেন।তাই এই ব্যাপারে স্থানীয় বাজারের নৈশপ্রহরী কালু মিয়া প্রকাশে (কালাইয়া), বাবাঃ মতিউর রহমান মাস্টার, তার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে মুঠোফোন ও সরাসরি তিনি একবারও সাড়া দেননি।