মহিউল করিম আশিক, দুবাই, ইউএই প্রতিনিধি: হাফেজ ও সাধারণ ছাত্র ছাত্রীদের সু-মধুর সুরে পবিত্র কোরআন তেলোয়াতের মধ্য দিয়ে শারজাহ রেডিসন ব্লু বলরুমে আয়োজিত হলো সৈয়দ আহাদ ফাউন্ডেশনের ৫ম তেলাওয়াতে কোরআন প্রতিযোগিতার গ্রান্ড ফাইনাল। শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে ৫ম আসরের গ্রান্ড ফাইনালে ৩ গ্রুপের মোট ১৬ জন প্রতিযোগি অংশ নেয়।

প্রতিযোগিতায় হাফেজদের (এ) গ্রুপে বিজয়ী হয়েছে প্রথম – মো: আব্দুল আজিজ, দ্বিতীয় – মো: ওমর হাফেজ, তৃতীয়- আবু বকর, চতুর্থ – মোহাম্মদ, পঞ্চম – সাইফুল্লাহ ও ষষ্ঠ – সাদ খোরশেদ আলম। বি গ্রুপে বিজয়ী হয়েছে প্রথম – উম্মে কুলসুম, দ্বিতীয় – মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম, তৃতীয় – সামিয়া আল রহমান, চতুর্থ – মাহফুজা খাতুন ও পঞ্চম – নুসরাত জাহান। সি গ্রুপে বিজয়ী হয়েছে প্রথম – মীর তালহা, দ্বিতীয় – জাহেদুল হোসেন, তৃতীয় -মীর জাহিদ, চতুর্থ – নুসরাত জাহান ও পঞ্চম – ওবায়েদ।
প্রতি গ্রুপে প্রথম পুরস্কার ৭০০০ দেরহাম। ২য় পুরস্কার ৫০০০ দেরহাম। তৃতীয় পুরস্কার ২০০০ দেরহাম ও চতুর্থ এবং পঞ্চম পুরস্কার ১০০০ দেরহাম দেওয়া হয়।
তেলাওয়াতে কোরআন প্রতিযোগিতার বিচারকগণ ছিলেন ক্বারী আজাহার,
ক্বারী নাজমুল হাসান, ক্বারী মুহিবুর রহমান মঞ্জুর, মাওলানা শহিদুল্লাহ আজাহারি ও
ক্বারী মুস্তাফিজুর রহমান।

সৈয়দ আহাদ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল গণি চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম রুপু ও কাজী মোহাম্মদ আলীর যৌথ পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কনসুলেট দুবাইয়ের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন খান।
আমিরাতে অবস্থানরত বাংলাদেশী কমিউনিটি ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ড. রেজা খান, আইয়ুব আলী বাবুল, রাজা মল্লিক, আবুল কালাম সিআইপি, ইঞ্জিনিয়ার নওশের আলী, শরাফাত আলী, আব্দুল কুদ্দুছ, আব্দুল আলিম, এম এ বাশার, শাহ মোহাম্মদ মাকসুদ, আবুল কালাম, ইঞ্জিনিয়ার করিমুল হক, হাজী আব্দুল করিম, হাজী আব্দুর রব, লায়ন নজরুল ইসলাম, জিল্লুর রহমান, জাকির হোসেন, সহ আরো অনেকে।
অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ারম্যান মাজাহারুল ইসলাম মাহাবুব, সহ -সভাপতি মাহাবুবুর রহমান, সাইফুদ্দিন আহম্মেদ, মীর আহম্মেদ, মেহেদী ইউসুফ, ইমাম হোসেন পারভেজ, মোস্তাফিজুর রহমান, মানিকুল ইসলাম, জাকির হোসেন, হাবিব, শিমুল মোস্তফা সহ আরও অনেকে।
বিগত ৫ বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে সৈয়দ আহাদ ফাউন্ডেশন আয়োজিত তেলোয়াতে কোরআনের এ কর্মকান্ড ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। আগামীতে এর ধারা অব্যহত রাখার আশ্বাস দেন ফাউন্ডেশনের উপস্থিত কর্মকর্তারা।