প্রবাস মেলা ডেস্ক: ২৯ জুন শনিবার বিকেলে প্রবাস মেলা অফিসে অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী মোহাম্মদ খুরশিদ আলম। এসময় তিনি প্রবাস মেলা কলাকুশীলদের সাথে তাঁর দীর্ঘ গানের জগতের নানা বিষয়ে আড্ডায় মেতে ওঠেন।
‘চুমকি চলেছে একা পথে’, ‘মাগো মা, ওগো মা, আমারে বানাইলি তুই দিওয়ানা’,
‘তোমরা যারা আজ আমাদের ভাবছো মানুষ কি না…’ ‘আজকে না হয় ভালোবাসো’র মতো বহু জনপ্রিয় গানের শিল্পী খুরশীদ আলম। তাঁর শিল্পীজীবনের প্রাপ্তি অনেক। তিনি একুশে পদক সহ অসংখ্য পুরস্কার জিতেছেন।
ষাটের দশক থেকে বাংলাদেশের সঙ্গীত জগতে পরিচিত নাম খুরশীদ আলম। বাংলা চলচ্চিত্রাঙ্গনের গানের ভান্ডারকে তিনি করেছেন সমৃদ্ধ। এখনও অব্যাহত আছে তার ক্লান্তিহীন সঙ্গীত সাধনা। বাংলা সিনেমার সুবর্ণ সময়ের একজন খ্যাতিমান প্লে-ব্যাক সিঙ্গার খুরশিদ আলম। একটা সময় ছিল বাংলা সিনেমার গান মানেই খুরশিদ আলম। বাংলা চলচ্চিত্র সংগীতকে তিনি অনেক কিছু দিয়েছেন।
তিনি জানান, বাংলা চলচ্চিত্রের প্রায় সব নায়কই তার গানে ঠোঁট মিলিয়েছেন, যেটি তার জীবনের অন্যতম সেরা অর্জন বলে জানান।
১৯৬১-৬২ সালে জাতীয় আধুনিক সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় এবং ১৯৬২-৬৩ সালে জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছিলেন খুরশিদ আলম। ১৯৬৭ সালে কবি সিরাজুল ইসলামের (প্রয়াত) লেখা এবং আজাদ রহমানের সুরে খুরশিদ আলম কণ্ঠ দেন একটি আধুনিক গানে।
মোহাম্মদ খুরশীদ আলম প্রথম প্লে ব্যাক করেন ১৯৬৯ সালে বাবুল চৌধুরীর পরিচালনায় এবং ইফতেখারুল আলমের প্রযোজনায় আগন্তুক মুভিতে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ৪৫০টির বেশি চলচ্চিত্রে গান গেয়েছেন খুরশিদ আলম।
শেষে গুণী এই শিল্পীর সাথে প্রবাস মেলা’র কলাকুশীলরা ফটোসেশনে অংশ নেন।