প্রবাস মেলা ডেস্ক: ভাগ্য বিড়ম্বিত মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম। দেশকে স্বাধীন করার জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করলেও স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও থামেনি জীবন সংগ্রাম। পরিবারের জন্য দু’বেলা দুমুঠো ভাত যোগাতে চট্টগ্রাম শহরে রিক্সা চালান ৭৬ বছর বয়সী এই মুক্তিযোদ্ধা।

১৯৭১ সালে ভারতে ট্রেনিং নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে লড়েছেন। যৌবনে জীবন বাজি রেখে এনেছেন স্বাধীনতা। দেশ মুক্ত হলে পেটের দায়ে চলে আসেন চট্টগ্রামে। সেই থেকে রিক্সাই তার জীবিকার অবলম্বন। জীবনযুদ্ধে স্বাধীন দেশেই রিক্সা চালিয়ে কোনরকম বেঁচে আছেন মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম। বয়সের ভারে দুচোখেও পড়েছে ছানি। রিক্সার প্যাডেলের মতই যার জীবনের চাকা ঘোরে বড় কষ্টে। নগরীর আকবার শাহ এলাকায় একটি খুপড়ি ঘরই তার মাথা গোজার ঠাই। পাননা কোন ভাতা। মুক্তিযুদ্ধের সব সনদ হারিয়ে ফেলেন ৯১ এর ঘূর্ণিঝড়ে। মন্ত্রণালয়ে বহুবার ধর্ণা দিয়েও মিলেনি সেই সনদ।

অবশেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম’র মানবেতর জীবনগাঁথার সমাপ্তি ঘটাতে সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ইমরান গ্রুপের সম্মানিত চেয়ারম্যান লায়ন মো. জুনাব আলী পিএমজেএফ। তিনি মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলমের চিকিৎসা ও ভরণ পোষনের যাবতীয় দায়িত্ব গ্রহণ করে মানবিকতার অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।